×

বিশেষ সংখ্যা

অবনী অনিমেষের এক জোড়া কবিতা

Icon

অবনী অনিমেষ

প্রকাশ: ২৫ মার্চ ২০২৬, ১০:১৬ পিএম

অবনী অনিমেষের এক জোড়া কবিতা

অবনী অনিমেষের এক জোড়া কবিতা

অপ্রকাশিত গণ বিজ্ঞপ্তি
বর্ষার এই রাতের শহর, খোলা আকাশ,
মেঘ, বৃষ্টিভেজা কৃষ্ণচূড়া
ল্যাম্পপোস্টের আলো
কিংবা ধুলোমাখা পথ মিলিয়ে–
সত্যিই আমি কখনো গন্তব্য খুঁজিনি। 

অথবা এক ছাদের নিচে থাকলে যাকে 
তোমরা সংসার বলো; আমি তাও বলিনি। 
বলিনি তুমি আমার আকাশ হও কিংবা ছায়া। 
তুমি প্রেমিকা হয়ে সামনে না দাঁড়ালেও; 
আমি বুঝে নিই আমার এলাকার বাতাস 
তোমার এলাকায় গিয়ে ঝড় তোলে। 

আমি বুঝে নিই সত্যিই
এক ঘর আমাদের না হলেও 
এক আমাদের শহর।
এই শহরের দেয়ালে দেয়ালে 
বড় অক্ষরে যে স্লোগান লেখা থাকে,
একদিন সেখানেও লিখে যাব;
তুমি এলেই বসন্ত ফিরে আসে।


গাঙ
কাশবনে ছাওয়া শরতের ভোগাই গাঙ্গের ধারে খাড়াইয়া
কাঁপন ওঠাইন‍্যা গলায় আমারে কইছিলা,
--তোমারে আমি বড় ভালা পাই। 
কথাখান কইয়া চক্ষের পলকে তুমি চইলা গেছিলা। 
আর আমার দুই চক্ষের পানি টপটপ কইরা 
গাঙ্গের পানির লগে মিইশ‍্যা যাইতেছিল।
এতডাই সুখ লাগছিল মনের মধ‍্যে
য‍্যান ঝাপাইয়া পড়ি গাঙ্গের বুকে।
সেই থেইক‍্যা এই ভোগাই গাঙ
আমার জিন্দেগীর লগে জোড়া লাইগ‍্যা গেছে।
হেই টানেই তো বারবার ছুইট‍্যা আহি এই গাঙ্গের ধারে। 
আর অহন সইবার পারনা!
আমারে কও আমি নাকি এই গাঙ্গের পিরিতে মজছি। গাঙ্গের লগে হিংসা কইরা তুমি জ্বইল‍্যা ওঠো।
তোমার মনে আছে?
তোমার পরথম ছোয়া পাইছিলাম আমি;
এই গাঙ্গের ধারেই। 
ওইদিনের কতা মনে অইলে এহনো আমার গায়ে কাঁটা দেয়। 
কাপুনি উইঠা শইলডা আমার শীতল অইয়া যায়।
তয় কেমনে ভুলমু আমি!
এই গাঙ্গের ধার; গাঙ্গের পানি;ছোড বাশের সাঁকোখান। তোমার মনে আছে?
চাঁন্নি রাইতে ওই সাঁকোতে বইসা আমরা
গাঙ্গের পানিতে চান্দের খেলা দেখতাম।
আমার মেঘের লাহান কালা হাটুসমান চুলের গন্ধে
তুমি পাগল অইয়া আমারে জড়াইয়া রাখতা।
পরানের গহীনে যে বোল ওঠতো হেই সুমে,
তা কি আর ভুলবার জো আছে!
কই গেলো তোমার ওই পিরিতি!
আমার যে এহনো ঘোর লাগে;
ওই টলটলা পানির আওয়াজ শুইন্যা।
অপ্রকাশিত গণ বিজ্ঞপ্তি

বর্ষার এই রাতের শহর, খোলা আকাশ,
মেঘ, বৃষ্টিভেজা কৃষ্ণচূড়া
ল্যাম্পপোস্টের আলো
কিংবা ধুলোমাখা পথ মিলিয়ে–
সত্যিই আমি কখনো গন্তব্য খুঁজিনি। 

অথবা এক ছাদের নিচে থাকলে যাকে 
তোমরা সংসার বলো; আমি তাও বলিনি। 
বলিনি তুমি আমার আকাশ হও কিংবা ছায়া। 
তুমি প্রেমিকা হয়ে সামনে না দাঁড়ালেও; 
আমি বুঝে নিই আমার এলাকার বাতাস 
তোমার এলাকায় গিয়ে ঝড় তোলে। 

আমি বুঝে নিই সত্যিই
এক ঘর আমাদের না হলেও 
এক আমাদের শহর।
এই শহরের দেয়ালে দেয়ালে 
বড় অক্ষরে যে স্লোগান লেখা থাকে,
একদিন সেখানেও লিখে যাব;
তুমি এলেই বসন্ত ফিরে আসে।

গাঙ

কাশবনে ছাওয়া শরতের ভোগাই গাঙ্গের ধারে খাড়াইয়া
কাঁপন ওঠাইন‍্যা গলায় আমারে কইছিলা,
--তোমারে আমি বড় ভালা পাই। 
কথাখান কইয়া চক্ষের পলকে তুমি চইলা গেছিলা। 
আর আমার দুই চক্ষের পানি টপটপ কইরা 
গাঙ্গের পানির লগে মিইশ‍্যা যাইতেছিল।
এতডাই সুখ লাগছিল মনের মধ‍্যে
য‍্যান ঝাপাইয়া পড়ি গাঙ্গের বুকে।
সেই থেইক‍্যা এই ভোগাই গাঙ
আমার জিন্দেগীর লগে জোড়া লাইগ‍্যা গেছে।
হেই টানেই তো বারবার ছুইট‍্যা আহি এই গাঙ্গের ধারে। 
আর অহন সইবার পারনা!
আমারে কও আমি নাকি এই গাঙ্গের পিরিতে মজছি। গাঙ্গের লগে হিংসা কইরা তুমি জ্বইল‍্যা ওঠো।
তোমার মনে আছে?
তোমার পরথম ছোয়া পাইছিলাম আমি;
এই গাঙ্গের ধারেই। 
ওইদিনের কতা মনে অইলে এহনো আমার গায়ে কাঁটা দেয়। 
কাপুনি উইঠা শইলডা আমার শীতল অইয়া যায়।
তয় কেমনে ভুলমু আমি!
এই গাঙ্গের ধার; গাঙ্গের পানি;ছোড বাশের সাঁকোখান। তোমার মনে আছে?
চাঁন্নি রাইতে ওই সাঁকোতে বইসা আমরা
গাঙ্গের পানিতে চান্দের খেলা দেখতাম।
আমার মেঘের লাহান কালা হাটুসমান চুলের গন্ধে
তুমি পাগল অইয়া আমারে জড়াইয়া রাখতা।
পরানের গহীনে যে বোল ওঠতো হেই সুমে,
তা কি আর ভুলবার জো আছে!
কই গেলো তোমার ওই পিরিতি!
আমার যে এহনো ঘোর লাগে;
ওই টলটলা পানির আওয়াজ শুইন্যা।

টাইমলাইন: মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২৬

আরো পড়ুন

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

কালবৈশাখীর তাণ্ডবে ডুবে গেল দুই ট্রলার

পাটুরিয়া কালবৈশাখীর তাণ্ডবে ডুবে গেল দুই ট্রলার

ডাকাতি শেষে পালানোর সময় গণপিটুনি, একজন নিহত

ডাকাতি শেষে পালানোর সময় গণপিটুনি, একজন নিহত

হাম ও উপসর্গে একদিনে আরো ৭ জনের মৃত্যু

হাম ও উপসর্গে একদিনে আরো ৭ জনের মৃত্যু

বেরোবি উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন, ছাত্রদলের হামলা

বেরোবি উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন, ছাত্রদলের হামলা

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App