প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী
সামাজিক অনাচার দূর করতে আত্মশুদ্ধির মেহনতের বিকল্প নেই
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১১:২৮ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, সামাজিক অনাচার দূর করতে আত্মশুদ্ধির মেহনতের বিকল্প নেই। আত্মশুদ্ধি ছাড়া আল্লাহর সব আদেশ-নিষেধ যথাযথভাবে পালন করা সম্ভব নয়। সাহাবায়ে কেরাম ইসলাম গ্রহণের পূর্বে যেসব গুনাহের মধ্যে ছিলেন, ইসলাম গ্রহণের পর আত্মশুদ্ধির মেহনতের মাধ্যমে তারাই সোনার মানুষে পরিণত হন। বর্তমানে সমাজে যত অনাচার, হত্যা, দুর্নীতি ও অরাজকতা দেখা যাচ্ছে, তা আত্মশুদ্ধির চর্চার মাধ্যমে বন্ধ করা সম্ভব।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) বিকেল ৩টায় রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে আঞ্জুমানে হেফাজতে ইসলামের ৮১ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় মন্ত্রী ইজতেমা বাস্তবায়নে সরকারের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
আঞ্জুমানে হেফাজতে ইসলামের আমির শায়খুল হাদীস আল্লামা মুফতি মুহাম্মদ রশীদুর রহমান ফারুক বর্ণভী (পীর সাহেব বরুণা) বলেন, খলীফায়ে মাদানী আল্লামা লুৎফুর রহমান বর্ণভী (রহ.) ১৯৪৪ সালে আঞ্জুমানে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করেন। সংগঠনটি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে তিনি হযরত মাদানী (রহ.)-এর নির্দেশনা, থানভী (রহ.)-এর অনুমোদন এবং সমকালীন বিশিষ্ট উলামায়ে কেরামের সমর্থন লাভ করেন। বিশেষ করে আল্লামা শামছুল হক ফরিদপুরী (রহ.) ও ফখরে বাঙ্গাল আল্লামা তাজুল ইসলাম (রহ.)-এর সহযোগিতা ছিল উল্লেখযোগ্য। আট দশকেরও বেশি সময় ধরে আঞ্জুমানে হেফাজতে ইসলাম বৃহত্তর সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মুসলিম জনসাধারণের ধর্মীয়, নৈতিক ও আধ্যাত্মিক উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। পাশাপাশি বিভিন্ন দুর্যোগ ও সংকটে সংগঠনটি মানবসেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তিনি আগামী ৩০ অক্টোবর কেন্দ্রীয় আজিমুশশান ইজতেমা বাস্তবায়নে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
আঞ্জুমান ঢাকা মহানগরের আমির মুফতি সাইফুল ইসলাম ফারুকীর সভাপতিত্বে এবং নির্বাহী সভাপতি মুফতি ওয়াজেদ আলীর সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য রাখেন বেফাক মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হক, শায়েখ যাকারিয়া ইসলামিক রিসার্চ সেন্টারের পরিচালক মুফতি মিজানুর রহমান সাঈদ, দেওভোগ মাদরাসার মুহতামিম মাওলানা আবু তাহের জিহাদী, দিলুরোড মাদরাসার মুহতামিম মুফতি সালাহ উদ্দিন, যাদুরচর মাদরাসার মুহতামিম হাফেজ মাওলানা আলী আকবর কাসেমী এবং মাওলানা আব্দুল লতিফ ফারুকী।
