আরো ২ মামলায় জামিন চাইলেন সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ১২ মে ২০২৬, ১২:১৫ পিএম
সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হক। ছবি : সংগৃহীত
জুলাই আন্দোলনের সময় যুবদলকর্মী হত্যা এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রায় জালিয়াতিসহ দুদকের করা পাঁচ মামলায় হাইকোর্টের দেওয়া জামিন বহাল থাকার পর এবার আরো দুটি মামলায় জামিন আবেদন করেছেন সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হক। মঙ্গলবার (১২ মে) বিচারপতি কে এম জাহিদ সরওয়ার কাজল ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এ আবেদনের শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।
গত বছরের ২৪ জুলাই রাজধানীর ধানমন্ডির বাসা থেকে খায়রুল হককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে জুলাই আন্দোলনের সময় ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে যুবদলকর্মী আবদুল কাইয়ুম আহাদ হত্যা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
এই মামলার পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে আরো চারটি মামলা দায়ের করা হয়। এর মধ্যে তত্ত্বাবধায়ক সরকারসংক্রান্ত রায় জালিয়াতির অভিযোগে গত ২৭ আগস্ট শাহবাগ থানায় মামলা করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন।
এ ছাড়া একই অভিযোগে ২৫ আগস্ট নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানায় মামলা করেন জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি ও ফতুল্লা থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বারী ভূঁইয়া। একই দিনে বন্দর থানায় আরেকটি মামলা করেন নুরুল ইসলাম মোল্লা। এর আগে ৪ আগস্ট প্লট জালিয়াতির অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনও একটি মামলা দায়ের করে।
আরো পড়ুন : হাইকোর্টে আইভীর জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন
এসব মামলায় নিম্ন আদালতে জামিন আবেদন নামঞ্জুর হওয়ার পর তিনি হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করেন। পরে হাইকোর্ট পাঁচ মামলায় জামিন প্রশ্নে রুল জারি করেন।
গত ৮ মার্চ বিচারপতি মো. খায়রুল আলম ও বিচারপতি মো. সগীর হোসেনের বেঞ্চ চার মামলায় জামিন মঞ্জুর করেন। পরে ১১ মার্চ দুদকের মামলাতেও জামিন পান তিনি।এ জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন করলেও ২৮ এপ্রিল প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ সেই আবেদন খারিজ করে দেন।
তবে এর মধ্যেই নিম্ন আদালতে আরো দুটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। মামলাগুলো হলো জুলাই আন্দোলনের সময় রাজধানীর যাত্রাবাড়ী ও মিরপুর থানার হত্যা মামলা। নিম্ন আদালতে জামিন না পেয়ে তিনি আবারও হাইকোর্টে জামিন আবেদন করেন।
২০১০ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশের ১৯তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান খায়রুল হক। একই বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে তার নিয়োগ কার্যকর হয়। ২০১১ সালের ১৭ মে অবসরে যাওয়ার পর তিনি তিন দফা আইন কমিশনের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন।
