সুজন আজমের কবিতাগুচ্ছ
সুজন আজম
প্রকাশ: ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:২৪ পিএম
সুজন আজমের কবিতাগুচ্ছ
উৎসবের মুখোশে অমীমাংসিত সত্য
পহেলা বৈশাখ আসে— নতুনের ছদ্মবেশে পুরোনো হিসাব খুলে,
লাল-সাদার ভিড়ে লুকায় কত অমীমাংসিত ভুলে।
হালখাতার পাতায় শুধু দেনা-পাওনা নয়, বিবেকও কি মেলে?
নাকি উৎসবের ঢাকে চাপা পড়ে যায় অপ্রকাশিত বেদনার খেলায়?
মঙ্গল শোভাযাত্রা হাঁটে— মুখোশ পরে সত্যের মতো,
আমরা ছবি তুলি, কিন্তু প্রশ্ন করি না, “কেন এই রথ?”
নববর্ষ যদি হয় নতুন চিন্তারই শুরু,
তবে কেন পুরোনো ভয়েরাই শাসন করে গুরু?
তবু বৈশাখ শেখায়
আগুনে পুড়ে মাটি হয় উর্বর,
নতুন বীজ বোনার সাহসই হোক আমাদের আসল উৎসব এবার।
নতুন বছরের নীরব জিজ্ঞাসা
পহেলা বৈশাখ— শুধু তারিখ নয়, এক নীরব প্রশ্নের দিন,
পুরোনো বছরের ধুলো ঝেড়ে দেখি, বদলেছি কি সত্যি বিন্দুমাত্রও কিনা।
লাল-সাদার সাজে আমরা নতুনের অভিনয় করি,
কিন্তু ভেতরের ক্লান্ত মানুষটা কি পায় কোনো নতুন ভোরই?
ঢাকের তালে তালে শোনা যায় উৎসবের উচ্চারণ,
তবু কোথাও লুকিয়ে থাকে অনুচ্চারিত অস্বীকারের আর্তনাদ।
হালখাতার পাতায় শুধু হিসাব নয়, আত্মাও কি খুলে দেখি?
নাকি সংখ্যার আড়ালে ঢেকে রাখি নিজের ভুলগুলিই?
মঙ্গল শোভাযাত্রা এগোয়— মুখোশে আঁকা স্বপ্নের রং,
কিন্তু আমরা কি সাহস করি মুখোশ খুলে দেখার সৎ ঢঙ?
নববর্ষ যদি হয় নতুন ভাবনার এক দরজা খোলা,
তবে কেন পুরাতন ভয়েই থাকি আমরা বদ্ধ, অবহেলা?
তবু আশার মতোই বৈশাখ ফিরে আসে বারেবার,
শিখিয়ে যায়— ভাঙার মাঝেই লুকিয়ে থাকে গড়ার অধিকার।
নতুন বছরের নীরব জিজ্ঞাসা
পহেলা বৈশাখ— শুধু তারিখ নয়, এক নীরব প্রশ্নের দিন,
পুরোনো বছরের ধুলো ঝেড়ে দেখি, বদলেছি কি সত্যি বিন্দুমাত্রও কিনা।
লাল-সাদার সাজে আমরা নতুনের অভিনয় করি,
কিন্তু ভেতরের ক্লান্ত মানুষটা কি পায় কোনো নতুন ভোরই?
ঢাকের তালে তালে শোনা যায় উৎসবের উচ্চারণ,
তবু কোথাও লুকিয়ে থাকে অনুচ্চারিত অস্বীকারের আর্তনাদ।
হালখাতার পাতায় শুধু হিসাব নয়, আত্মাও কি খুলে দেখি?
নাকি সংখ্যার আড়ালে ঢেকে রাখি নিজের ভুলগুলিই?
মঙ্গল শোভাযাত্রা এগোয়— মুখোশে আঁকা স্বপ্নের রং,
কিন্তু আমরা কি সাহস করি মুখোশ খুলে দেখার সৎ ঢঙ?
নববর্ষ যদি হয় নতুন ভাবনার এক দরজা খোলা,
তবে কেন পুরাতন ভয়েই থাকি আমরা বদ্ধ, অবহেলা?
তবু আশার মতোই বৈশাখ ফিরে আসে বারেবার,
শিখিয়ে যায়— ভাঙার মাঝেই লুকিয়ে থাকে গড়ার অধিকার।
