×

জাতীয়

দ্য হিন্দুকে মির্জা ফখরুল

‘যারা ভারতের সঙ্গে যুদ্ধের কথা বলে তারা উন্মাদ’

Icon

কাগজ ডেস্ক

প্রকাশ: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১:৩০ পিএম

‘যারা ভারতের সঙ্গে যুদ্ধের কথা বলে তারা উন্মাদ’

ছবি: সংগৃহীত

‘ভারতের সঙ্গে আমরা যুদ্ধ করতে পারি না, বরং যে কোনো ইস্যু নিয়ে আলোচনা করতে পারি। যারা ভারতের সঙ্গে যুদ্ধের কথা বলে, তারা উন্মাদের মতো কথা বলে।’

সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘দ্য হিন্দু’-কে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ কথা বলেন।

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ক্ষেত্র কোনো একটি ইস্যুর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; আর সেই কারণেই ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থানের বিষয়টি দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের পরিধি বাড়ানোর ক্ষেত্রে মোটেও কোনো প্রতিবন্ধকতা নয় বলে স্পষ্ট করেন মির্জা ফখরুল।

আর তাই বাংলাদেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সবগুলো প্রকল্প গুরুত্বের সাথে এগিয়ে নেয়া হবে এবং ভারতের সঙ্গে উন্নয়ন অংশীদারিত্ব আরও বেগবান করা হবে বলেও দ্য হিন্দুকে নিশ্চিত করেন তিনি।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি শেখ হাসিনা গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছেন। জনগণের মধ্যে তাকে বিচারের মুখোমুখি করার জোর দাবি রয়েছে। আমরা মনে করি, ভারতের উচিত আমাদের কাছে তাকে হস্তান্তর করা। কিন্তু ভারত যদি শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত না-ও দেয়, তাতেও বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্কসহ বিস্তৃত সম্পর্ক গড়ে তোলার ক্ষেত্রে তা কোনো বাধা হবে না। আমরা আরো উন্নত সম্পর্ক গড়ে তুলতে চাই।’

ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় কোনো একটি ইস্যুতে ‘বন্দী’ রাখা মোটেও উচিত নয় বলে স্পষ্ট করেন তিনি। 

এই প্রসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের উদাহরণ টেনে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ওই দুই রাষ্ট্রের মধ্যে তো অনেক ধরনের মতপার্থক্য রয়েছে, তবুও তো তারা একে অপরের সঙ্গে বহুমূখী কাজ করছে।

শেখ হাসিনা ও তার মন্ত্রিসভার সদস্য এবং অপরাধে সংশ্লিষ্ট আমলাদের বিরুদ্ধে হত্যা ও ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগে যে সমস্ত আইনি প্রক্রিয়া চলছে তা অব্যাহত থাকবে বলেও এই সাক্ষাৎকারে নিশ্চিত করেন ফখরুল।

বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিএনপির ঐতিহাসিক ভূমিকার কথা তুলে ধরে তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, ১৯৭৫ সালের আগস্টে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নিহত হওয়ার পর যখন শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের অন্য সদস্যরা ভারতে অবস্থান করছিলেন; ঠিক তখনই বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ভারত সফর করেছিলেন। ওই সময় তিনি ঢাকায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোরারজি দেশাইকে এদেশে আতিথ্য দিয়েছিলেন। পরে ১৯৮০ সালের জানুয়ারিতে জিয়াউর রহমান পুনরায় দিল্লি সফরে গিয়ে ইন্দিরা গান্ধীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন। তখন কিন্তু শেখ হাসিনা রাজনৈতিক আত্মপ্রকাশের জন্য দেশে ফেরারও পরিকল্পনা করছিলেন। মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এটাই ছিল রাষ্ট্রনায়কোচিত দৃষ্টিভঙ্গি।’

প্রসঙ্গক্রমে তিনি আরও বলেন, ‘আগামী বছরের আগেই গঙ্গা পানিবণ্টন চুক্তির নবায়ন প্রসঙ্গে ফারাক্কার পানির বিষয়টি সামনে আসবে। পাশাপাশি সীমান্ত হত্যা নিয়েও আলোচনা প্রয়োজন। আমাদের অবশ্যই এসব বিষয় নিয়ে কথা বলতে হবে।’

এসময় ফখরুল স্পষ্ট করে বলেন,  ‘ভারতের সঙ্গে আমরা যুদ্ধ করতে পারি না, বরং যে কোনো ইস্যু নিয়ে আলোচনা করতে পারি। যারা ভারতের সঙ্গে যুদ্ধের কথা বলে, তারা উন্মাদের মতো কথা বলে।’

টাইমলাইন: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন

আরো পড়ুন

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শীর্ষ ব্যবসায়ীদের বৈঠক আজ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শীর্ষ ব্যবসায়ীদের বৈঠক আজ

সিলেটে ঝড়-বৃষ্টি, অন্য অঞ্চলে তাপপ্রবাহের আভাস

সিলেটে ঝড়-বৃষ্টি, অন্য অঞ্চলে তাপপ্রবাহের আভাস

ইরানের হামলায় আরেক মার্কিন যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত

ইরানের হামলায় আরেক মার্কিন যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত

জুম্মার দিন মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে সাইরেনের শব্দ

জুম্মার দিন মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে সাইরেনের শব্দ

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App