তারেক রহমানকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উষ্ণ অভিনন্দন
জার্নাল ডেস্ক
প্রকাশ: ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১:৩৮ এএম
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ছবি: সংগৃহীত
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) নিরঙ্কুশ বিজয়ে দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
নরেন্দ্র মোদি আজ শুক্রবার সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটে তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এই অভিনন্দন জানান। মোদি তার পোস্টে তারেক রহমান ও বিএনপির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজকে ট্যাগ করে দিয়েছেন।
মোদি উল্লেখ করেন, এই বিজয় বাংলাদেশের জনগণের পক্ষ থেকে তারেক রহমানের নেতৃত্বের ওপর অগাধ আস্থা ও বিশ্বাসের প্রতিফলন।
তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, আগামী দিনে দুই দেশের মধ্যকার বহুমুখী সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে এবং অভিন্ন উন্নয়নের লক্ষ্যগুলো অর্জনে উভয় দেশ একযোগে কাজ করে যাবে।
অভিনন্দন বার্তায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, ভারত সবসময় একটি গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের পাশে থাকবে। তিনি তার বার্তায় আরও উল্লেখ করেন, দুই দেশের ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক বন্ধন আগামীতে নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে।
তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশ একটি স্থিতিশীল ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাবে বলেও তিনি বিশ্বাস করেন।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, ‘আমাদের বহুমুখী সম্পর্ক আরও দৃঢ় করতে এবং আমাদের অভিন্ন উন্নয়ন লক্ষ্য এগিয়ে নিতে আমি আপনার সঙ্গে কাজ করার প্রত্যাশা রাখছি।’
প্রসঙ্গত, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৯ আসনের মধ্যে ২৯৬টির বেসরকারি ফল ঘোষণা হয়েছে। ঘোষিত ফল অনুযায়ী, বিএনপি ও তাদের জোটের প্রার্থীরা ২১৩টি আসনে জয় পেয়েছেন। এর ফলে বিএনপির নেতৃত্বে সরকার গঠনের পথ সুগম হয়েছে।
মূলত নির্বাচনের ফলাফল বেসরকারিভাবে স্পষ্ট হওয়ার পরপরই আন্তর্জাতিক পর্যায় থেকে আসা এই অভিনন্দন বার্তাটি বিএনপির নতুন সরকারের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক স্বীকৃতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রীর এই দ্রুত অভিনন্দন বার্তা ঢাকা ও দিল্লির মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা করবে। এর মাধ্যমে দুই দেশের বাণিজ্য, যোগাযোগ এবং উন্নয়ন অংশীদারিত্ব আরও গতিশীল হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তারেক রহমানও ভারতের প্রধানমন্ত্রীর এই শুভেচ্ছার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এবং প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
