মন্ত্রিসভায় ডাক পেলেন এহছানুল হক মিলন
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:১৫ পিএম
চাঁদপুর-১ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী এহছানুল হক মিলন। ছবি : সংগৃহীত
দুই দশক পর রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের প্রক্রিয়ায় নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের ধাপ শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সম্ভাব্য মন্ত্রিসভার সদস্যদের ব্যক্তিগত ফোনের মাধ্যমে আমন্ত্রণ জানানো শুরু করেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের খবর, চাঁদপুর-১ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী এহছানুল হক মিলন মন্ত্রিসভায় যোগদানের জন্য ফোন পেয়েছেন। ২০০১ সালে খালেদা জিয়ার সরকারের সময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করা এই নেতাকে পুনরায় মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করায় অভিজ্ঞ নেতৃত্বকে গুরুত্ব দেওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
মিলনের সঙ্গে আরো কয়েকজন সিনিয়র নেতা এবং নতুন মুখও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে আমন্ত্রণ পেয়েছেন।
আরো পড়ুন : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজাে নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। যারা মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী বা উপমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেবেন, তাদের নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত থাকার জন্য ইতোমধ্যেই অনুরোধ জানানো হয়েছে। শপথ অনুষ্ঠান রাষ্ট্রপতির উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত হবে।
এর আগে সকালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী বিএনপির সংসদ সদস্যরা দলীয় চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে শপথ গ্রহণ করেন। যদিও তারা সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেন, তবে ‘সংবিধান সংস্কার বাস্তবায়ন পরিষদ’-এর সদস্য হিসেবে শপথ এখনও বাকি রয়েছে। বিষয়টি রাজনৈতিক মহলে কৌতূহল ও জল্পনার সৃষ্টি করেছে।
দলীয় সূত্র জানায়, এবারের মন্ত্রিসভায় অভিজ্ঞতার সঙ্গে তরুণ নেতৃত্বকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তারেক রহমান দাপ্তরিক দক্ষতা ও ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গড়ার লক্ষ্যকে মাথায় রেখে নতুন টিমের সদস্য নির্বাচন করছেন। বিশেষ করে অর্থনীতি ও আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত সংবেদনশীল খাতগুলোতে কার দায়িত্ব থাকবে তা নিয়ে রাজনৈতিক ও জনমতেও জল্পনা রয়েছে।
বিকেল ৪টার শপথ অনুষ্ঠান দিয়ে দীর্ঘ ২০ বছরের প্রতীক্ষার অবসান ঘটবে।
