৭০০ ছুঁয়ে অনন্য উচ্চতায় রাশিদ খান
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৩:৩৬ পিএম
রাশিদ খান। ছবি: সংগৃহীত
মাইলফলকটা যেন কদিন ধরেই আর ধরা দিচ্ছিল না। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সর্বশেষ ম্যাচেই হয়তো ছুঁয়ে ফেলবেন, এমন প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু সেই ম্যাচে ২ উইকেট নিয়ে থেমে গিয়েছিলেন ৬৯৯-এ। এরপর অপেক্ষার প্রহরটা দীর্ঘ হয়েছে আজকের ম্যাচ পর্যন্ত। অবশেষে দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের মঞ্চে ধরা দিল সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। প্রথম বোলার হিসেবে স্বীকৃত টি-টুয়েন্টি ক্রিকেটে ৭০০ উইকেটের এভারেস্ট জয় করলেন আফগান অধিনায়ক রাশিদ খান।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দিল্লিতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের মোহাম্মদ আরফানকে ফিরিয়ে এই মাইলফলকে নাম লেখান আফগান তারকা।
‘হিট উইকেট’ হয়ে রাশিদের ৭০০তম শিকার হন আরফান। মজার ব্যাপার হলো, ৭০০ উইকেটে এই প্রথম ‘হিট উইকেট’ থেকে কোনো শিকারের দেখা পেলেন রাশিদ।
অনুমিতভাবেই সবচেয়ে বেশি শিকার ধরেছেন ক্যাচ থেকেই, ২৭৭টি। এর মধ্যে কিপারের ক্যাচ ৩৯টি। এছাড়া বোল্ড করেছেন তিনি ২২৫ ব্যাটারকে, ১৫৪ ব্যাটারকে এলবিডব্লিউ। তার বলে স্টাম্পড হয়েছেন ৪৩ ব্যাটার।
আফগানিস্তানের সবচেয়ে বড় তারকা সবচেয়ে বেশি উইকেট নিয়েছেন দেশের জার্সিতেই, ১৯৫টি। আর কোনো দলের হয়ে উইকেটের সেঞ্চুরি তিনি করতে পারেননি। বিগ ব্যাশে তার উইকেট ৯৮টি, সবকটিই নিয়েছেন অ্যাডিলেইড স্ট্রাইকার্সের হয়ে।
আইপিএলে তার উইকেট ১৫৮টি। এর মধ্যে ৯৩টি নিয়েছেন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হয়ে, ৬৫টি গুজরাট টাইটান্সের জার্সিতে।
পাকিস্তান সুপার লিগে লাহোর কালান্দার্সের হয়ে তার উইকেট ৪৪টি।
মাত্র ৫১৮ ম্যাচ খেলেই ৭০০ উইকেটের ঠিকানা ছুঁলেন রাশিদ। অনুমিতভাবেই উইকেট শিকারে তার ধারে কাছে নেই কেউ।
৫৮২ ম্যাচ খেলে ৬৩১ উইকেট নিয়ে দুইয়ে ডোয়াইন ব্রাভো, ৫৮৩ ম্যাচে ৫১৩ উইকেট আরেক ক্যারিবিয়ান সুনিল নারাইনের।
এছাড়া ৫৭২ উইকেট নিয়েছেন ইমরান তাহির, ৫০৮ উইকেট আন্দ্রে রাসেলের, সাকিব আল হাসান নিয়েছেন ৫০৭ উইকেট। আর কোনো বোলারের নেই ৫০০ উইকেট।
