×

সারাদেশ

ইঞ্জিনিয়ার মঈনুলকে মন্ত্রী করার দাবি

Icon

মাসুম বাদশাহ, সিংগাইর (মানিকগঞ্জ) থেকে

প্রকাশ: ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৪:২৭ পিএম

ইঞ্জিনিয়ার মঈনুলকে মন্ত্রী করার দাবি

ইঞ্জিনিয়ার মঈনুল ইসলাম খান। ছবি: ভোরের কাগজ

মানিকগঞ্জ-২ আসন সিংগাইরে ইঞ্জিনিয়ার মঈনুল ইসলাম খান শান্তের জয়ে খুশি এলাবাসী। ক্লিন ইমেজ, নম্র, ভদ্র ও বিনয়ী জনপ্রতিনিধির কাছে জনগণের প্রত্যাশা সবসময়ই বেশি থাকে। এখন  তাকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায় এলাকাবাসী। মানিকগঞ্জ-২ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মঈনুল ইসলাম খান শান্ত এলাকাবাসীর কাছে তিনি ইতোমধ্যেই “দাদা” উপাধিতে ভূষিত হয়েছেন—যা কেবল জনপ্রিয়তার নয়, আস্থারও প্রতীক।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পিতার সুনাম ও নিজের ত্যাগ-তিতিক্ষার ইতিহাস মিলিয়ে তিনি ১,৭৫,৭৭৬ ভোট পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ভোটারদের আস্থা তাঁর পক্ষে দৃঢ়ভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। এলাকাবাসীর একটি বড় অংশ ইতোমধ্যে তাঁকে মন্ত্রিসভায় দেখতে দাবি জানিয়েছেন। তবে সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা—সুশাসনের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করা।

তাঁর বাবা শামসুল ইসলাম খান (নয়া মিয়া) ছিলেন তিনবারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য এবং বিএনপি সরকার আমলে শিল্পমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর সময়ে মানিকগঞ্জ-২ আসনে দৃশ্যমান উন্নয়নের একাধিক দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয়। রাজধানীর সঙ্গে সিংগাইরের সংযোগস্থলে ধলেশ্বরী নদীর ওপর নির্মিত ভাষা শহীদ রফিক সেতু, ব্যাপক বিদ্যুতায়ন, সড়ক যোগাযোগের উন্নয়ন এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন তাঁর উল্লেখযোগ্য অবদান।

পিতার মৃত্যুর পর উপনির্বাচনে ইঞ্জিনিয়ার মঈনুল ইসলাম খান শান্ত স্বল্প সময়ের জন্য সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় তিনি নানা প্রতিকূলতার মুখোমুখি হয়েছেন। বিশেষ করে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তিনি একাধিক মামলা ও হামলার শিকার হন। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও চাপের মধ্যেও তিনি মাঠ ছাড়েননি; বরং সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড ও জনগণের পাশে থেকে নিজের অবস্থান সুদৃঢ় করেছেন। এই অধ্যবসায় ও সহিষ্ণুতাই তাঁর রাজনৈতিক পরিচয়ের অন্যতম শক্তি।

মানিকগঞ্জ-২ এর সাধারণ মানুষ ভাত-কাপড় বা অর্থ সহায়তা নয়; তারা চায় একটি নিরাপদ, ন্যায়ভিত্তিক ও শান্তিপূর্ণ সমাজ। তাদের দাবি—মাদক নির্মূল, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বন্ধ, ফসলি জমি থেকে অবৈধভাবে মাটি কাটা প্রতিরোধ এবং হাট-বাজারে চাঁদা আদায় বন্ধ করা। রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে অপকর্ম দমনে দৃঢ় পদক্ষেপ নেওয়া এখন সময়ের দাবি।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে বিএনপির নাম ব্যবহার করে কিছু অপ্রীতিকর কর্মকাণ্ডের অভিযোগ উঠেছে। ফ্যাক্টরি, হাট-বাজার এবং প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক কর্মীদের বাড়িতে হামলার মতো ঘটনায় দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়েছে। রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যে চাঁদাবাজির অভিযোগে কয়েকজন নেতাকর্মীর নাম প্রকাশিত হয়েছে বলেও জানা যায়। এ পরিস্থিতিতে দ্রুত, নিরপেক্ষ ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি।

নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে কিছু বিতর্কিত ব্যক্তি ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে নিজেদের ঘনিষ্ঠ পরিচয় প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে—এমন আশঙ্কাও রয়েছে। এই সুযোগে তারা সংসদ সদস্যের নাম ও প্রতীক ব্যবহার করে অপকর্মে জড়িয়ে পড়তে পারে। তাই মাননীয় সংসদ সদস্যের উচিত হবে এসব ব্যক্তি থেকে সুস্পষ্ট দূরত্ব বজায় রাখা এবং প্রয়োজনে কঠোর সাংগঠনিক ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা।


টাইমলাইন: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন

আরো পড়ুন

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

জুম্মার দিন মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে সাইরেনের শব্দ

জুম্মার দিন মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে সাইরেনের শব্দ

খড় পোড়ানোর আগুনে ২০ বিঘা জমির গম পুড়ে ছাই

খড় পোড়ানোর আগুনে ২০ বিঘা জমির গম পুড়ে ছাই

পেট্রোল পাম্পে পুলিশ সদস্যের উপর হামলা

পেট্রোল পাম্পে পুলিশ সদস্যের উপর হামলা

কোটি টাকার মালামালসহ ডাকাত দলের ৮ সদস্য গ্রেপ্তার

কোটি টাকার মালামালসহ ডাকাত দলের ৮ সদস্য গ্রেপ্তার

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App